• ফিচার

    সাংবাদিক বাউল আল-হেলালের গানে মুগ্ধ হলেন প্রধান তথ্য কমিশনার

      প্রতিনিধি ১৫ নভেম্বর ২০২২ , ১:৫৬:২৬ অনলাইন সংস্করণ

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: বাউল শিল্পী ও বাউল গানের প্রশংসা করলেন সুনামগঞ্জের কৃতি সন্তান ও প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ। যিনি ইতিপূর্বে সচিবসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে অধিষ্ঠিত রয়েছেন তথ্য কমিশন বাংলাশে এর প্রধান তথ্য কমিশনার পদে। তথ্য অধিকার আইনের বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন সারা দেশ। বলেছেন, অন্ন বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসাসহ সকল মৌলিক অধিকার আদায়ের প্রধান ও পূর্ব শর্তই হচ্ছে তথ্য অধিকার আইন। এ আইনের অবাধ প্রবাহের ফলে প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহীতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের মজবুত ভিত্তি সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
    রবিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে সুনামগঞ্জের শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে তথ্য কমিশন বাংলাদেশ ও জেলা প্রশাসন সুনামগঞ্জ এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ বিষয়ক জন অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন তিনি। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শেখ মহি উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোঃ আবু সাইদ, কমিশনের সহকারী প্রোগ্রামার মো. সালাহ উদ্দিন, টিআইবির সভাপতি নুরুর রব চৌধুরী, সরকারী কলেজের অধ্যাপক জমশেদ আলী, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি আল-হেলাল, শিক্ষক মোঃ আব্দুছ সাত্তার ও শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার খানমসহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আইসিটি শাখার সহকারী কমিশনার আর্নিকা আক্তারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় জেলা কৃষি সম্প্রসারন বিভাগের উপ-পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল মন্ডল, তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক মো: আব্দুস ছাত্তার, জেলা
    শিক্ষা অফিসার মো.জাহাঙ্গীর আলম, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বর্মন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুর রহমানসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রত্যেক অংশগ্রহনকারীদের হাতে তথ্য কমিশন বাংলাদেশ প্রণীত তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আবেদনকারীগনের জন্য ৩২ পৃষ্ঠার নির্দেশিকা প্রদান করা হয়। সভাপতির বক্তৃতায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শেখ মহি উদ্দিন বলেন, তথ্য অধিকার আইনে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৮২৩টি আবেদন পেয়েছে। এর মধ্যে ৮২১টি আবেদন জেলা প্রশাসন তথ্য প্রদানসহ নিস্পত্তি করেছে। কোন প্রকার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ ছাড়াই জেলা তথ্য অফিসারের তাৎক্ষনিক মোবাইল ফোনে সভাস্থলে উপস্থিত হন আল-হেলাল। বসার আসন বলতে সামনে যা ছিল সবগুলো চেয়ার পরিপূর্ণ হওয়ায় একেবারেই পেছনের সারিতে একটি চেয়ারে বসেন। নির্ধারিত আলোচকরা সভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন। অন্যদিকে আল-হেলাল একদিকে বক্তৃতা নোট করছেন অন্যদিকে লিখে যাচ্ছেন গান। কিন্তু কোন সুরে গানটি লিখবেন তিনি। হঠাৎ তার মাথায় আসে নতুন কোন সুর ছাড়াই বাউল কামাল পাশার বিখ্যাত গানের একটি সুর। যে সুরের কোন বিকল্প নেই। সুনামগঞ্জের বাউল শিল্পী মরহুম বাউল কামাল পাশা রচিত“কাঙ্কের কলসী জলে গেলরে ভাসি/মাঝিরে তোর নৌকার ঢেউ লাগিয়া” ঐ গানটির সুরেই তথ্য অধিকার আইন নিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে লিখে ফেললেন ৪ অন্তরার পুরো গানটি। নোট করার জন্য হাতে বাড়তি কোন কাগজ তার কাছে না থাকলেও তথ্য কমিশন প্রদত্ত ছোট নির্দেশিকা বইটির ৩৩ নং সাদা পৃষ্ঠায় লিখে নিলেন গানটি। কিন্তু গানটি যে তিনি নিজে গাইবেন তা কল্পনাও করেননি। হঠাৎ সভামঞ্চ থেকে ঘোষণা আসলো প্রধান তথ্য কমিশনারের বক্তব্যের আগে কারো কোন প্রশ্ন থাকলে তা উপস্থাপনের জন্য। এর মধ্যে দুএকজন প্রশ্ন করলেন। পীন পতন নীরবতার এক পর্যায়ে দাড়িয়ে আল-হেলাল বললেন, আমি প্রশ্ন করবো একটি তাও ছোট্ট। কিন্তু আমার কিছু অবজারভেশন আছে তা প্রধান তথ্য কমিশনার মহোদয়কে না বললেই নয়। আর তা হচ্ছে তথ্য যে পাওয়া যাচ্ছেনা তা ঠিক নহে। তবে এক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা। কিন্তু কয়েকটি সরকারী দপ্তরের বড় কর্তারা আছেন যারা তথ্য দিতে গড়িমশি করেন এবং আইনের ফাকফোকরে তথ্য প্রদানের বিষয়টি এড়িয়ে চলেন ও নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন বিষয়টি। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য তথ্য কর্মশালার আয়োজন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন আল-হেলাল। এমনকি নিয়ম মোতাবেক আবেদন করে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে তথ্য আদায় করেছেন মর্মেও তিনি অবগত করেন। তিনি প্রধান তথ্য কমিশনারের সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে স্বগর্বে স্বমহিমায় পরিবেশন করেন তার রচিত গানটি।  সাংবাদিক বাউল শিল্পী
    আল-হেলালের রচিত গানটি হচ্ছে মাত্র ১৮টি বাক্যের।“তথ্য অধিকার, দাবী সকল জনতার
    সুশাসন আসিবে বাংলাদেশে রে।।

    স্বচ্ছতা জবাবদিহীতায় অংশগ্রহন
    নিশ্চিত করবে গনতন্ত্র আরো উন্নয়ন।
    ধন্য শেখ হাসিনা,আমরা তোমায় ভূলবোনা
    সুনীতি চাই দলমত নির্বিশেষেরে।।

    স্বপ্ন ছিল বঙ্গবন্ধুর শোসনমুক্ত দেশ
    এখনও দুর্নীতি চলছে, সুদ ঘুষে বেশ।
    হঠাও বৈষম্য, জাতির একান্ত কাম্য
    সমান সুযোগ চাই সবে মিলেমিশেরে।।

    তথ্য চাই দিতে হবে,এক দফা দাবী
    নইলে আপীল, আর অভিযোগ বল কোথায় যাবি
    শেষে কঠিন শাস্তি, মন তুই পাবিরে পাবি
    বাঁচবেনা তুই, থাকলেও চরন পাশেরে।।

    দেশজুড়ে করছেন প্রচার,মরতুজা আহমদ স্যার
    তথ্য অফিস করছে মাইকিং জানায় বারেবার।
    এই আইনের সুফল,বাড়বে সবার মনোবল
    আল-হেলালের এই নিবেদন সবার কাছেরে।।

    ৪টি অন্তরায় গানটি লিখলেও তিনি পুরো গানটি গাইতে পারেননি। কারন
    অনুষ্ঠানের অতিথি ও অংশগ্রহনকারীরা দুপুরের লাঞ্চের সময় কতটুকু
    ধৈর্য্যধারন করবেন এই উপলব্ধি থেকে তিনি তার বক্তব্য ও পরিবেশিত গানটি
    সংক্ষিপ্ত করেন। কিন্তু গানটির একটি অন্তরা শুনেই মুগ্ধ হয়ে যান প্রধান
    তথ্য কমিশনারসহ মঞ্চের বক্তা ও সমবেত সুধীমন্ডলী। প্রধান তথ্য কমিশনার
    তার মূল্যবান বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে এসে আবেগাপ্লুত হয়েই ধন্যবাদ দেন
    আল-হেলালকে একেবারে নাম ধরে। সবাই আনন্দিত ও মুগ্ধ হন তাতে। সভা শেষে কেউ
    বলেন দেখছি আপনি যখন গানটি লিখেন,কেউ বলেন খুব ভালো গাইছেন। কেউবা বলেন
    গানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুনকীর্তনসহ সবকিছুই নিয়ে এসেছেন। শেষে
    জেলা তথ্য অফিসার পুরো গানটি শুনেন। জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছেও
    প্রশংসিত হয় গানের লিরিক। এখানেই শেষ নয় পুরো গানটিতে জাতির জনক
    বঙ্গবন্ধু,দুর্নীতির পরিবর্তে সুনীতি ও সুশাসনসহ সকল হক কথাই তিনি তুলে
    ধরেছেন তার গানে।

    তাৎক্ষনিকভাবে লিখা ও গাওয়ার কৃতিত্বের দাবীদার সাংবাদিক বাউল আল-হেলাল
    বাংলাদেশের মরমী সংস্কৃতির জগতে একটি সাড়াজাগানো নাম। প্রকাশিত নাম হচ্ছে
    এটি। সার্টিফিকেট নাম আল-হেলাল মোঃ ইকবাল মাহমুদ। তার পিতার নাম
    এস.এন.এম মাহমুদুর রসুল  যিনি একজন যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারী
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও নাট্য অভিনেতা। তার
    মাতার নাম মরহুমা রোকেয়া বেগম চৌধুরী। তার স্থায়ী ঠিকানা সুনামগঞ্জের
    দিরাই উপজেলার ভরারগাঁও গ্রাম। বর্তমানে তিনি স্বপরিবারে বসবাস করেন
    সুনামগঞ্জ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের পূর্ব সুলতানপুর আবাসিক এলাকায়। তিনি
    ১৯৯০ সালে দিরাই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি,১৯৯২ইং সালে দিরাই কলেজ
    থেকে এইচ.এস.সি  এবং ১৯৯৪ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন।
    পরবর্তীতে সিলেট আইন মহাবিদ্যালয় ও ঢাকার জাতীয় আইন কলেজে অধ্যয়ন করেন।
    সিলেট আইন কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত বক্তৃতা
    প্রতিযোগীতায় তিনি একাধিকবার প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। আল-হেলাল
    ইতিপূর্বে বাংলাভিশন টেলিভিশন,ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক খবর,দৈনিক
    প্রাইম,দৈনিক মুক্তকন্ঠ,দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা,দৈনিক মাতৃভূমি,দৈনিক
    মানবজমিন,দৈনিক প্রভাত,দৈনিক সোনার আলো,দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ,দৈনিক
    বাংলাদেশ সমাচার,দৈনিক খবর,জাতীয় সাপ্তাহিক চিত্রবাংলা,সাপ্তাহিক বর্তমান
    দিনকাল,সাপ্তাহিক স্বর্ণালী ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক দৈনিক যুগভেরী,
    দৈনিক সিলেটবানী,দৈনিক সংলাপ,দৈনিক মানচিত্র,দৈনিক জালালাবাদ,দৈনিক
    প্রভাতবেলা,সাপ্তাহিক পরিক্রমা,সাপ্তাহিক সময়ের ডাক,সাপ্তাহিক সিলেটের
    পত্রিকায় জেলা প্রতিনিধি হিসেবে,জেলা শহর সুনামগঞ্জ থেকে প্রকাশিত
    সাপ্তাহিক সুনামগঞ্জ সংবাদ এর জেলা প্রতিনিধি,দৈনিক আলোকিত
    সুনামগঞ্জ,সাপ্তাহিক সুনামগঞ্জ বার্তা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও
    সাপ্তাহিক গ্রাম বাংলার কথা পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন
    করেন।
    প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক হিসেবে গড়ে তুলেন বাউল কল্যাণ পরিষদ ও বাউল কামাল
    পাশা স্মৃতি সংসদ নামের ২টি সাংস্কৃতিক সংগঠণ। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান
    কমান্ড এর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন।
    তিনি বিভিন্ন সময়ে সিলেট বিভাগ গণদাবী পরিষদ এর কেন্দ্রীয় কমিটির
    সদস্য,জাগো সিলেট আন্দোলন এর প্রচার সম্পাদক,সিলেটস্থ সুনামগঞ্জ জেলা
    উন্নয়ন সংস্থার সহ সম্পাদক,দিরাই থানা উন্নয়ন ও পৌরসভা বাস্তবায়ন কমিটির
    যুগ্ম আহবায়ক,দিরাই থানা উন্নয়ন ও ঘুষ দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন পরিষদ
    এর প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক,ধর্ম ও নৈতিকতা বিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির
    সাধারন সম্পাদক, ঘুষ দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলন সুনামগঞ্জ এর দিরাই থানা
    আহবায়ক,দিরাই প্রেসক্লাবের আহবায়ক,দিরাই-শাল্লা সাংবাদিক পরিষদ এর
    সভাপতি,মফস্বল সাংবাদিক সংগ্রাম পরিষদ এর প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক,সুনামগঞ্জ
    রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতাকালীন সহ-সভাপতি,দিরাই প্রেসক্লাবের
    সাধারন সম্পাদক,সিলেট বিভাগ মফস্বল সাংবাদিক সংগ্রাম পরিষদ এর
    আহবায়ক,বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কার্যকরী সদস্য,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন
    সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জ জেলা
    শাখার আহবায়ক, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সুনামগঞ্জ জেলা শাখার
    সভাপতি,কালনী বেতার স্রোতা ক্লাব এর সভাপতি,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ও
    জেলা গীতিকার ফোরাম এর সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সহ-সভাপতি,সুনামগঞ্জ
    রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি,বাউল কামাল পাশা সংস্কৃতি সংসদ সুনামগঞ্জ
    এর সাধারন সম্পাদক,কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন সুনামগঞ্জ শাখার নির্বাহী সদস্য
    এবং সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে অধিষ্টিত
    রয়েছেন। কর্মরত রয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস এর জেলা
    প্রতিনিধি,দৈনিক সুনামগঞ্জ প্রতিদিন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক,  ও জাতীয়
    দৈনিক খবরপত্র পত্রিকার হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি,ইংরেজী দৈনিক আওয়ার টাইমস এর
    সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে। তিনি কোয়ান্টাম ল্যাব শান্তিনগর ঢাকার
    আজীবন রক্তদাতা ও বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্ত্রের তালিকাভূক্ত একজন
    পল্লীগীতি শিল্পী। তার সম্পাদনায় সম্প্রতি প্রকাশ হতে যাচ্ছে সাপ্তাহিক
    মুক্তির সনদ ও সাপ্তাহিক হীরামন মানিকের দেশে নামে আরো দুটি পত্রিকা।
    অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে ২০০৮ সালে ১০১টি গান নিয়ে তিনি প্রকাশ
    করেন “গানের স¤্রাট কামাল উদ্দিন”নামে একখানা গীতিগ্রন্থ। পরবর্তীতে
    “শ্রেষ্ট পার্লামেন্টেরিয়ান সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত”,“রাজনীতির রবার্টব্রæস
    মতিউর রহমান”,“ভোটযুদ্ধে মমতাজ ইকবাল” “মডেল মানুষ মমিনুল মউজদীন” ও
    সুনামগঞ্জের সোনার মানুষ মুহাম্মদ আব্দুল হাই”সহ আরো অনেক জীবনীগ্রন্থ
    প্রকাশ ও সম্পাদনা করেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে গানের স¤্রাট বাউল কামাল
    পাশার শত শত গান নিয়ে পত্রিকা সম্পাদনা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেন তিনি।
    একজন গীতিকার হিসেবে তিনি রচনা করেছেন প্রায় শতাধিক গান। সম্প্রতি
    সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউজে পরিকল্পনা মন্ত্রী জনাব এম.এ মান্নান এমপির
    সামনে তাৎক্ষনিকভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গুনকীর্ত্তণ করে একটি গান
    লিখে দিয়ে ও গেয়ে জেলা প্রশাসক ও সমবেত সাংবাদিক জনতাকে হতবাক করে দেন
    তিনি। এছাড়া পদ্মা সেতু,সুনামগঞ্জের রানীগঞ্জ সেতু,প্রধানমন্ত্রীর
    আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরসহ যাবতীয় কার্যক্রম নিয়ে শত শত বাক্যের গান লিখেছেন
    তিনি। এসব গান প্রেরন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সেতু
    মন্ত্রণালয়ে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েও তার রচিত অনেক গান
    তিনি তাৎক্ষনিক প্রদান করেন। কেবলমাত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বা
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই তার গানের উপাদান নয়,তিনি পিআইবির
    কার্যক্রম,বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস এর উন্নয়ন সাংবাদিকতা, পরিকল্পনা
    মন্ত্রী এম.এ মান্নান ও গণ মানুষের নেতা মহিবুর রহমান মানিক এমপিকে নিয়েও
    মূল্যবান গান রচনা করেছেন। গান রচনায় উৎসাহ পেয়েছেন ১৯৮৬ সালে তৎকালীন
    বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার দিরাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে শেখ
    হাসিনা যখন বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের গান শুনে হাততালি দিয়েছিলেন
    সেই দৃশ্যটি দেখে। এছাড়া গান রচনার শক্তি সাহস ও সূত্রের অনুসন্ধান
    পেয়েছেন,বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে দেশের প্রথম সংগীত রচয়িতা গানের সম্রাট বাউল
    কামাল পাশা (কামাল উদ্দিন) এর রচিত গানের গবেষণা ও সংগ্রহ সম্পাদনার মাধ্যমে। আল-হেলাল মনে করেন কামালগীতি বা বাউল কামাল পাশার গান চর্চা ও গবেষণা করলে এই জামানায় অনেকেই গীতিকার বা বাউল শিল্পী হিসেবে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবে অনায়াসে।

    আল-হেলাল ২০১৪ ইং সনের ৩রা জুন সাংবাদিক হিসেবে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে জেলার দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পাগলা এলাকার সদরপুর নামক স্থানে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় মারাত্মক আহত হন। একজন পেশাদার সাংবাদিক ও বাউল শিল্পী হিসেবে জেলার সকল সংসদ সদস্যগনের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বাউল শিল্পীর স্বীকৃতিসহ আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।

    আরও খবর

    Sponsered content